ফটো গ্যালারি

কলাপাড়ায় প্রতিবেশীর সম্পত্তি জোর করে দখলের চেষ্টায় একাধিক মামলা

কলাপাড়ায় প্রতিবেশীর সম্পত্তি জোর করে দখলের চেষ্টায় একাধিক মামলা \

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: ২২ জুলাই ঃ কলাপাড়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের মৃত: মধুসুদন শীলের খেপুপাড়া মৌজার, ৬ নং জে এল, ১৫৩৯ নং খতিয়ানের, ৪৪২ নং দাগকৃত জমির ওপর দিয়ে প্রতিবেশী অনিল চন্দ্র শৗল ও শৈলেন চন্দ্র শীলের পরিবার অবৈধভাবে, বেআইনীভাবে ও জোর-জবরদস্তি করে দস্যুগতভাবে চলাচল করার চেষ্টা করে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মৃত: মধুসুদন শীল এবং গৌরাঙ্গ দাস এই দুই পরিবারের ভিটির মাঝখানে সামান্য এক হাত সমপরিমান জায়গা আছে, যেখান দিয়ে একটি কুকুর-বিড়াল বা একটি হাস-মুরগীরও চলাচল করতে কষ্ট হয় সেখানে পিছনে বসবাসরত অনিল গং-এর পরিবারটি জোর করে হাটা-চলার চেষ্টা করে, এজায়গাটুকু তাদের রেকর্ডীয় সম্পত্তি যা বাপ-ঠাকুরদার আমল হইতে তারা ভোগ করিয়া অসিতেছে।

মৃত: মধুসুদন শীলের পুত্র পরিতোষ শীল বলেন, গত জমি জরিপের সময় গংয়েরা ভুমি অফিস ও সার্ভেয়ারদের সাথে ষড়যন্ত্র করে একটি মিথ্যা ও ভুয়া দলিল তৈরি করে তাদের দলিলে নতুন একটি লাইন বসানো হয় যাহাতে লেখা আছে দলিলের চৌহদ্দিতে রাস্তা দেয়া আছে, আসল দলিলে এ ধরনের কোনো কথা কিম্বা কোনো লাইন কখনই উল্লেখ ছিলোনা।

প্রতিবেশী শ্যামল কর্মকারের স্ত্রী বলেন, বিবাদমান এই বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ্অনেকবার কলাপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র জনাবম এস এম রাকিবুল আহসান, বর্তমান মেয়র জনাব বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, বর্তমান তিন কমিশনার ও এলাকার বহু গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ শালিস করে ফয়সালা করে দিলেও অনিল গংরা তা মানতে নারাজ, তারা গায়ের জোরে অবৈধভাবে-অনিয়মকেই নিয়ম বানাতে চায়।

আরেক প্রতিবেশী গৌরাঙ্গদাসের স্ত্রী বলেন, বর্তমান মেয়রের শালিস ও রায় অনুযায়ী ভিটির অন্য আরেকপাশ দিয়ে পৌরসভার ড্রেনবাবদ পরিতোষ শীলের পরিবার তাদের রেকর্ডীয় সম্পত্তি ছেড়ে দিতেও রাজি কিন্তু অনিল গংরা জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কোন শালিস-ফয়সালা না মেনে শক্তি দিয়ে, দাপট দেখিয়ে, দস্যুতাগীরি করে অন্যায়ভাবে, জোর-জবরদস্তি করতে থাকে, যা একের পর এক অহেতুক মামলায় গড়িয়েছে, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছরে ৫/৬টি মামলা চলার পরে প্রায় সব মামলায় পরিতোষরা রায় পেয়েছে, বর্তমানে একটি বন্টন মামলা পটুয়াখালী আদালতে চলমান রয়েছে, যার মামলা নং- পটুয়াখালী ৫৮/১৮ ।

অপরদিকে অনিল চন্দ্র শীল এই প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের কাগজ-পত্র সঠিক আছে, বিরোধীগন যা বলেছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।

পৌর মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার বলেন, তিনটি পরিবারের মধ্যে সামান্য এই বিরোধ এলাকাবাসীদের নিয়ে সালিস করে সমঝোতা ও আপোষ-ফয়সালা করে দেয়া হয়েছে, আশা করা যায় যা সবাই মেনে নেবে বলে তিনি জানান।

মন্তব্য করুন

আরো সংবাদ