ফটো গ্যালারি

ঝিনাইদহ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে ডাকুয়া পত্রিকার সম্পাদকের জিডি

ঝিনাইদহ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে ডাকুয়া পত্রিকার সম্পাদকের জিডি \

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলার আসামীর সাথে খোশগল্প করার সময় সাংবাদিকদের সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য করায় জিডি হয়েছে ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেবের বিরুদ্ধে। সপ্তাহীক ডাকুয়া পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক শামিম বিন সাত্তার শৈলকুপা থানায় এই জিডি করেন, যার নং ৮৬০। ওই সাংবাদিক এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মোঃ গোলাম ফারুকের বরাবরও অভিযোগ পাঠিয়েছেন। জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে গত ১৭ জুলাই জেলা শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেব স্কুল ভিজিটে আসেন শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। এ সময় তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলার আসামী আলোচিত দিলারা ইয়াসমিন জোয়ারদারের কক্ষে প্রবেশ করেন। সে সময় তিনি স্কুলের শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিতে থাকেন। বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি প্রধান শিক্ষককে ধোয়া তুলসিপাতা দাবী করে সাংবাদিকদের সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য করেন। বক্তব্যের এক পর্যায়ে জেলা শিক্ষা অফিসার সপ্তাহীক ডাকুয়া পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক শামিম বিন সাত্তারকে ব্যক্তিগত ভাবেও আক্রমন করেন। শামীম বিন সাত্তার জিডিতে উল্লেখ করেছেন সপ্তাহীক ডাকুয়া পত্রিকায় জেলা শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেবের বিরুদ্ধে তথ্যবিত্তিক খবর প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত খবরের সুত্র ধরে বিষয়টি তদন্ত করে জেলা সুশান্ত কুমার দেবের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হয়। তার বিরুদ্ধে প্রমানিত অভিযোগ সমুহ হচ্ছে তিনি এমপিও প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের হয়রানী করেন। বরাদ্দ ব্যাতিরেখেই গেষ্ট হাউস ব্যাবহার করেন। অনুমতি ছাড়াই সম্মানী ভাতা গ্রহন করনে ও অবস্থান বিধি সম্মত না হওয়া। গত ২৪ এপ্রিল শুনানী গ্রহন করে জেলা শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেবের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনার পরিচালক প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ। তারপরও ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেবকে অপসারণ না করায় তিনি যারপরনাই ক্ষুদ্ধ ও হাতাশ হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেবের মুঠোফোনে কথা হলে তিনি ঘটনাটি মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসু বলে দাবী করেন।

মন্তব্য করুন

আরো সংবাদ