ফটো গ্যালারি

১০ লাখ টাকা ছিনতাইচেষ্টায় কনস্টেবলসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

১০ লাখ টাকা ছিনতাইচেষ্টায় কনস্টেবলসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা \

এওয়ান নিউজ: রাজধানীর মতিঝিলে ১০ লাখ টাকা ছিনতাইচেষ্টার ঘটনায় বংশাল থানার কনস্টেবল মামুনসহ (৩৫) তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাকি দুইজনের মধ্যে একজনের নাম জিতু এবং অন্যজনকে অজ্ঞাতনামা উল্লেখ করা হয়েছে।বুধবার (০৪ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে ভুক্তভোগী আবুল কালাম মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, আবুল কালাম নামে এক ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইচেষ্টার ঘটনায় বংশাল থানার কনস্টেবল মামুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটি ছিনতাইচেষ্টা বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানের বিষয়ে পুলিশ জানায়, বুধবার বিকেলে মতিঝিলের এনআরবিসি ব্যাংক থেকে ইলেক্ট্রনিক ব্যবসায়ী আবুল কালাম ১০ লাখ টাকা তুলে বের হন। এরপর ব্যাংকের সামনে থেকে পুলিশ পরিচয়ে আবুল কালামকে জোর করে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নেন বংশাল থানার কনস্টেবল মামুন ও জিতু। মামুন মোটরসাইকেল চালাতে থাকেন, আর কালামকে মাঝখানে রেখে পেছনে বসেন জিতু।

মোটরসাইকেলটি মোহামেডান ক্লাবের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় পেছনে বসা জিতু কালামের ব্যাগটি টানতে শুরু করেন। এসময় কালাম ‘ছিনতাইকারী’ বলে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন মোটরসাইকেলটির গতিরোধ করে। এই ফাঁকে জিতু পেছন থেকে কালামের মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়। তখন উপস্থিত জনতা মামুনকে গণধোলাই দেয়।

মারধরের এক পর্যায়ে মামুন নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে মতিঝিল থানার পুলিশ উপস্থিত হয়ে আহত কালাম ও মামুনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠায় এবং কালামের কাছে থাকা টাকার ব্যাগ হেফাজতে নেয়।

ওসি ওমর ফারুক আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে কনস্টেবল মামুন জানায়, আবুল কালামের কাছে তার এক বন্ধু সাড়ে তিন লাখ টাকা পাবে। সেই টাকা পরিশোধ না করায় কালামের কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু প্রাথমিকভাবে তার এ বক্তব্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য করুন

আরো সংবাদ