ফটো গ্যালারি

ভূমি নিবন্ধনে সমস্যা থাকলেও টিআইবির সব কথা ঠিক নয়: ভূমিমন্ত্রী

ভূমি নিবন্ধনে সমস্যা থাকলেও টিআইবির সব কথা ঠিক নয়: ভূমিমন্ত্রী \

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভূমির দলিল নিবন্ধনে দুর্নীতির কথা স্বীকার করলেও দুর্নীতি পর্যবেক্ষক সংস্থা টিআইবির প্রতিবেদনে উল্লেখিত সব বিষয়ে একমত নন বলে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ জানিয়েছেন।তিনি বলেছেন, ভূমিখাতে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। টিআইবির প্রতিবেদন ‘ওভাবে পুরোটা সমর্থন করতে পারছি না।’

দুদিন আগে টিআইবি ‘ভূমি দলিল নিবন্ধন সেবায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলছে, ভূমি নিবন্ধন সেবায় অনিয়ম-দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ধারণ করছে।বুধবার সচিবালয়ে এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ভূমিমন্ত্রী বলেন, “টিআইবির রিপোর্টটা আমার নজরে এসেছে। তাদের রিপোর্টটাকে পুরোটা ওভাবে সমর্থন করতে পারছি না।”

ভূমি অফিসের জটিলতা ও সমস্যা দূর করার ক্ষেত্রে বেশ কিছু উন্নতি হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, টিআইবি যে রিপোর্টটা প্রকাশ করেছে, সেটা কখনকার বেইজ ধরে করেছে, সেটা কিন্তু তারা উল্লেখ করেনি।

মন্ত্রী বলেন, টিআইবি ভূমি নিবন্ধনের যে বিষয়টি উল্লেখ করেছে সেখানেই সবচেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু ভূমি নিবন্ধন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে না, আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে।“রেজিস্ট্রেশন বিভাগটা যেহেতু আমার মন্ত্রণালয়ের আন্ডারে নয় তাই আমার এখানে হাত নাই।”

একসময় আইন ও ভূমি বিষয়ে একটাই মন্ত্রণালয় ছিল। তার অধীনে ছিল ভূমি নিবন্ধন কার্যালয়। পরে দুটি মন্ত্রণালয় আলাদা হলেও ভূমি নিবন্ধন কার্যালয় আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনেই থেকে যায়।

সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের কথা তুলে ধরে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিতে সম্পতি ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সুপারিশ করেছে। টিআইবির কথা একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছি না মন্তব্য করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, “তবে তারা যেসব সমস্যা তুলে ধরেছেন, তার অনেকগুলো কিন্তু আমরা উন্নয়ন করেছি। এ উন্নয়নটা আমাদের অব্যহত রয়েছে।

“অনলাইন ডাটাবেজে সাড়ে পৌনে ৪ কোটি খতিয়ান আপলোড করা হয়েছে। মানুষকে আগে অনেক হয়রানি পোহাতে হতো। এখন আর হয়রানি পোহাতে হয় না।” এক প্রশ্নের জবাবে সাইফুজ্জামান বলেন, এ পর্যন্ত ৫০ জনেরও বেশি ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বুধবার সকালে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার ভূমিমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। এবিষয়ে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। তিনি (মিলার) বলেছেন, রোহিঙ্গারা কীভাবে ফেরত যেতে পারে সে বিষয়ে আমেরিকা কাজ করছে। অন্য দেশ পাশে থাকবে বলে আশা করছেন।

“আমার মন্ত্রণালয় নিয়েও কথা হয়েছে। এটা একটা কমপ্লেক্স মিনিস্ট্রি… ফিল্ড লেভেলে আমরা আরও রিফর্ম করার চেষ্টা করছি, সে কথাটাও তাদের জানিয়েছে। মানুষের সেবা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায় ডিজিটাইজেশন এবং অটোমেশনের কথাও তাদেরকে বলেছি।

তিনি বলেন, “আমরা যে অটোমেশন এবং ডিজিটালাইজেশন করছি। আমেরিকা চাচ্ছে, ওখানে যদি কোনো হেল্প লাগে তারা করবে। আমরা তাদেরকে বলেছি, মোস্ট ওয়েলকাম। “আমরাতো ইতিমধ্যে জিপিএস, জিএস এর মাধ্যমে কাজ করছি, সেখানে আমেরিকার বিষয়টা থেকেই যায়।”

মন্তব্য করুন

আরো সংবাদ